Home

গত জুলাইয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধে তখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

একটি সূত্র জানায়, ইরানে টানা সামরিক অভিযানের পরোক্ষ খরচের বিস্তারিত হিসাব কংগ্রেসকে জানায়নি পেন্টাগন। অথচ মার্কিন আইনপ্রণেতারা পূর্ণাঙ্গ হিসাব চেয়েছিলেন।

পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এ ছাড়া অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ আরও ১৫০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

পেন্টাগনের দেওয়া ইরান যুদ্ধে এ ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার খরচের হিসাব মার্কিন কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি। সিবিও বলেছে, ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে।

সিবিওর হিসাবেও যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনা মেরামতের খরচ ধরা হয়নি। সংস্থাটি জানায়, মোট খরচের বড় অংশ গেছে যুদ্ধাস্ত্র কেনা ও সেসব ব্যবহারের পেছনে।

সিবিও আরও জানিয়েছে, ১ আগস্টের পর ইরান যুদ্ধ চলমান থাকলে প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আরও প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে। লড়াই জোরালো হলে এ খরচ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আইনপ্রণেতাদের সিবিও জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এমন এক সময় এ বাড়তি খরচের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ অর্থনীতি নিয়ে ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে।

আইনপ্রণেতাদের সিবিও জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এমন এক সময় এ বাড়তি খরচের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ অর্থনীতি নিয়ে ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও এর ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তাদের প্রথম দিনের হামলাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন নেতা, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।